শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সহায়তা
AIIMS student mental health programme সম্প্রতি শুরু হয়েছে এবং এটি দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার নতুন দিগন্ত খুলে দিল। দিল্লির সর্বভারতীয় আয়ুর্বিজ্ঞান সংস্থান (AIIMS) ঘোষণা করেছে একটি ডিজিটাল উদ্যোগ, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টা মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা, কাউন্সেলিং ও ফলো-আপ সাপোর্ট পাবেন।
অবশ্যই পড়ুন: Nepal Border Violence: সীমান্ত উত্তেজনায় চাঞ্চল্য
AIIMS student mental health programme: কী এই উদ্যোগ?
AIIMS দিল্লি চালু করেছে “Never Alone” নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।
- শিক্ষার্থীরা মোবাইল অ্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন।
- মানসিক চাপ, হতাশা বা আত্মঘাতী প্রবণতা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সেলিংয়ের সুযোগ থাকবে।
- স্ক্রিনিং, ইন্টারভেনশন ও দীর্ঘমেয়াদী ফলো-আপ সুবিধাও যুক্ত হয়েছে।
কেন এখন জরুরি?
শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপ ও হতাশা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিযোগিতার দৌড়, চাকরির অনিশ্চয়তা এবং পরিবারের প্রত্যাশা মিলিয়ে অনেকেই মানসিক দিক থেকে বিপর্যস্ত।
- আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়া বড় উদ্বেগের কারণ।
- প্রচলিত কাউন্সেলিং সিস্টেম অনেক সময় সহজলভ্য নয়।
- AIIMS-এর এই নতুন প্রোগ্রাম ডিজিটালভাবে সমস্যার সমাধান করতে পারবে।
AIIMS student mental health programme: বিশেষ বৈশিষ্ট্য
- AI-ভিত্তিক স্ক্রিনিং: শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা যাবে।
- ২৪/৭ সাপোর্ট: যেকোনো সময় কাউন্সেলিং ও সহায়তা।
- ফলো-আপ কেয়ার: সমস্যার সমাধান পর্যন্ত ধারাবাহিক যোগাযোগ।
- ডেটা প্রাইভেসি: শিক্ষার্থীর তথ্য সুরক্ষিত রাখার বিশেষ ব্যবস্থা।
বিশেষজ্ঞদের মত
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে—
- এই উদ্যোগে আত্মহত্যা প্রতিরোধ সম্ভব হবে।
- শিক্ষার্থীরা একাকিত্ব ও আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাবে।
- স্কুল-কলেজ প্রশাসনেরও ভূমিকা থাকবে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে।
চ্যালেঞ্জ ও প্রশ্ন
- ডিজিটাল বিভাজন: গ্রামীণ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল ও ইন্টারনেট অ্যাক্সেস কতটা সহজ হবে?
- কলঙ্ক (Stigma): মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অনেকেই এখনও খোলামেলা নন।
- মান নিয়ন্ত্রণ: কাউন্সেলরের গুণগত মান ও AI সিস্টেমের কার্যকারিতা নিয়মিত মূল্যায়ন করতে হবে।
AIIMS student mental health programme ভারতের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় উদ্যোগ। ২৪/৭ কাউন্সেলিং, AI স্ক্রিনিং এবং ফলো-আপ সাপোর্টের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। তবে সফলতা নির্ভর করবে সচেতনতা, ডিজিটাল অ্যাক্সেস এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার ওপর।
ভারতের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খবরে আরও পড়ুন এখানে: kichukotha.in
বিস্তারিত জানুন Economic Times রিপোর্টে





